ইক্বরার লক্ষ্য হলো বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্রষ্টার ঐশী বাণীর সমন্বিত অধ্যয়ন ও সার্বজনীন প্রয়োগের জন্য জ্ঞানদীপ্ত অনুশীলন।
উদ্দেশ্য
ইক্বরার উদ্দেশ্য হলো কুরআনের বাণীর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ অনুধাবনের জন্য টেকসই ভিত্তি প্রস্তুত করা এবং জীবন ও সমাজের প্রায়োগিকতার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞানভিত্তিক ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামো নির্মাণ।
প্রকাশিত বইসমূহ
কোরআন প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার - ভাববৈঠকি
কোরআন কেন চিরায়ত?
কোরআন আইনের বই না, কোরআন আসছে হেদায়তের জন্য
গুরুত্বপূর্ণ নোকতা:
ইসলামে সার্বভৌমত্বের ধারনা কিরকম?
কুরআন কখনো এটিকে আইনি বই বলে নাই। আইন তৈরী করে মানুষ। কোরআন এসেছে হিদায়তের জন্য।
কোরআন কেন চিরায়ত?
কোরআন পড়লে বাস্তবজীবনের যে সমস্যা তা বাস্তবোচিতভাবে সমাধানের দিকনির্দেশনা কোরআন থেকে পেতে পারেন। ১৪০০ বছর আগের সমাধারন না, এখনকার সমাধান পেতে পারি। এ কারনেই কোরআন চিরায়ত।
কোরআন সার্বভৌমত্বের ব্যাপারে কি হেদায়েত দিতে পারে?
আল্লাহর কাজকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো মানুষের আল্লাহর প্রতিনিধি হওয়া। আল্লাহর খলিফা হওয়া।
মানুষকে আল্লাহর খলিফা হওয়ার যে সম্ভাবনা, যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, সেই ক্ষমতার চর্চার মাধ্যমে সে খলিফা হয়ে উঠতে পারে। এই ক্ষমতা কেবল রাষ্ট্র ক্ষমতা নয়, সেটা কাজও হতে পারে, সকল ক্ষেত্রেই হতে পারে।
সুতরাং সভরেইন হওয়ার পথ হলো, আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটার চর্চা।
ডিভাইন মানে কি ? ডিভাইন মানে আমার বুদ্ধির অগম্য যে জগত, যেখানে আমি কল্পনা, প্রেম, ভালবাসা, দয়া আমার আরও যেসব বৃত্তি যা বুদ্ধির অন্তর্গত না, সেখানে যখন আমি আত্মসমর্পণ করি, তখন তাঁর সন্ধান পাই । এইটা হল হেদায়তের অর্থ।
খলিফা হওয়ার অর্থ কি? খলিফার কাজ কি?
ইসলামে শহীদ হওয়ার অর্থ কি? জালেম-জুলুমের যে সম্পর্ক সেখানে ইসলামের ভূমিকা কি?
ধর্মের পর্যালোচনা ছাড়া কোন দেশেই রাজনৈতিক সংগ্রাম সম্ভব নয়
কোরআন যে মানুষের তৈয়ারি না, ভিন্ন কিছু - এইটা প্রমাণ করেছে ‘কবিতা'র মাধ্যমে
শেষ নবী মানে এন্ড অফ মেটাফিজিক্স। ধর্ম ও ধর্মের যুগ শেষ।
কুরআন আসার পরে ধর্ম শেষ।
এর পর কোন ব্যক্তিকে আল্লাহর নামে, স্রষ্টার নামে কোন কথা বলতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে।
মুসলমান হতে হলে আপনাকে প্রথমে কবি হতে হবে। আপনি যদি কবিতা না বুঝেন, আপনি তখন কেল আক্ষরিকভাবে পড়েন, আপনি মেটাফোর পড়তে পারেন না। আপনি প্রতীক বুঝেন না, উপমা বুঝেন না।
যা অলৌকিক তাকে প্রতীক, উপমা ও ব্যাঞ্জনের মাধ্যমে বুঝতে হবে। এটাকে কখনো আক্ষরিকভাবে বুঝা যাবে না।
১. প্রাক-ইসলামি আরবের ঐতিহাসিক ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে আরব উপদ্বীপের সামগ্রিক অবস্থাকে ঐতিহাসিকভাবে 'জাহিলিয়্যাত' বা অন্ধকারের যুগ হিসেবে অভিহিত করা হয়। তবে একাডেমিক দৃষ্টিকোণ থেকে 'জাহিলিয়্যাত' শব্দটি নিছক অক্ষরজ্ঞানহীনতা বা শিক্ষার অভাবকে নির্দেশ করে না; বরং এটি মূলত একটি নৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং আধ্যাত্মিক শূন্যতার সমার্থক, যেখানে ঐশী জ্ঞান ও যৌক্তিকতার বদলে কুসংস্কার, গোঁড়ামি […]
ভূমিকা ইসলামিক জ্ঞানচর্চায় কুরআনকে সাধারণত আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় নির্দেশনার গ্রন্থ হিসেবে দেখা হয়। তবে মুসলিম আধুনিক চিন্তাবিদরা, বিশেষ করে টিউনিশিয়ান তাফসিরবিদ মুহাম্মাদ আল-তাহির ইবনে আশুর (Muhammad al-Tahir ibn Ashur), কুরআনকে শুধু আধ্যাত্মিক নৈতিকতা প্রদানের বই নয়, বরং একটি সভ্যতা নির্মাণের পরিকল্পনামূলক নীতি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর তাফসির Tahrir wa al-Tanwir এই দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। […]
পটভূমি সাম্প্রতিক সময়ে ইজরায়েল ও আমেরিকা পরিচালিত ইরানের উপরে ২৮ ফেব্রুয়ারীর যৌথ আক্রমন আমাদের সূরা বাকারার ২:১১ নাম্বার আয়াতকে পুন:পাঠ করতে অনুপ্রাণিত করে। ওয়া = আর। ইযা কীলা = যখন বলা হয়। লাহুম = তাদের উদ্দেশ্যে। লা তুফসিদু = তোমরা ফাসাদ/ বিপর্যয় সৃষ্টি/ অশান্তি সৃষ্টি করো না। ফিল আরদি = পৃথিবীতে। ক্বলূ = তারা বলে। […]
ভূমিকা ইবনে আশুর (১৮৭৯–১৯৭৩) ছিলেন টিউনিশিয়ার একজন বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ। তিনি কুরআনের আধুনিক ও প্রায় সমন্বিত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন তাহরির ওয়া আল-তানভীর (Tahrir wa al-Tanwir)–এ। প্রচলিত তাফসিরগুলো সাধারণত কেবল আইন (ফিকহ) বা ভাষাগত ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ইবনে আশুর দেখিয়েছেন কুরআন শুধু আধ্যাত্মিক নির্দেশনার বই নয়, বরং এটি একটি সভ্যতা গড়ার নীতি গ্রন্থ। তার […]
কুরআন গবেষক ড. সিরাজ ইসলামের গবেষণা ও লেখনী থেকে অনুবাদ জিব্রাইল হলেন আমাদের ভেতরে অনুপ্রেরণার শক্তি জিব্রাইল হলেন একটি কুরআনের রূপক (নোট ১) যা আমাদের মনের ভেতরে অনুপ্রেরণার প্রাকৃতিক শক্তিকে প্রতিনিধিত্ব করে। আমাদের গভীর চিন্তাভাবনার সময় এটি কার্যকর হয়ে ওঠে যখন এটি আমাদের কাছে সচেতনতা এবং অন্তর্দৃষ্টির ঝলক প্রকাশ করে। কুরআনে এই নামটি তিনবার এসেছে […]