ইক্বরার লক্ষ্য হলো বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্রষ্টার ঐশী বাণীর সমন্বিত অধ্যয়ন ও সার্বজনীন প্রয়োগের জন্য জ্ঞানদীপ্ত অনুশীলন।
উদ্দেশ্য
ইক্বরার উদ্দেশ্য হলো কুরআনের বাণীর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ অনুধাবনের জন্য টেকসই ভিত্তি প্রস্তুত করা এবং জীবন ও সমাজের প্রায়োগিকতার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞানভিত্তিক ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামো নির্মাণ।
প্রকাশিত বইসমূহ
কোরবানি, উৎসর্গ, বলিঃ একটা পাঠতালিকার প্রাথমিক খসড়া
অরূপ রাহী - প্রথম প্রকাশঃ ২০২১
তালিকার ভূমিকা
গুম-ক্রসফায়ার-বিচারহীনতা, কারখানা তালাবদ্ধ রেখে শ্রমিকদের পুড়ায়ে মারা,সহ শিল্প-কলকারখানে এবং যানবাহন-সড়ক-পানিপথে কাঠামোগত হত্যা, করোনা-লকডাউনে গরীব-মধ্যবিত্তের ভয়াবহ জীবন-জীবিকা-মর্যাদালুন্ঠন, উন্নয়নভাবাদর্শে জীবন-প্রতিবেশ ধ্বংস - এই তালিকা শেষ হবার নয়।
জুলুমশাহী এবং জালিম যে উপনিবেশ-পুজিবাদের আগে ছিলোনা- এমন নয়।
কিন্তু ঔপনিবেশিক-আধুনিক- পুঁজিবাদী - পুরুষতান্ত্রিক দুনিয়া ব্যবস্থাপনা জুলুমশাহীর গুনগত এবং ব্যবস্থাগত অনেক পরিবর্তন ঘটাইছে, যা এমন কি অতীতের ‘সুন্দর/ আদর্শ’ সময়গুলিকেও বর্তমানের/ সাম্প্রতিকের সংবেদনাজাত নির্মান থেকে মুক্ত রেখে আমাদের ভাবতে দেয় না, অনেক সাধনা করতে হয় তার জন্যেও।
এই যে আমরা ঔপনিবেশিক- আধুনিক- বর্ণবাদী-পুজিবাদী-পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রকল্প- রাষ্ট্রমডেল, সেই মডেলে দেশ-সমাজ-দুনিয়া ব্যবস্থার জন্যে এবং তার ব্যবস্থাপনার জন্যে জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে নিজদেরকে আমরা উৎসর্গ/শহীদ/বলি দিতেছি বা হইতেছি- তার স্বরূপ কি?
কিভাবে তা ‘অতীত’এর কুরবানি, বলি বা উৎসর্গের সাথে যুক্ত বা বিযুক্ত?
নানা দেশ-কালে দ্বীন-ধর্ম-উপাসনার বুঝ-বুঝান্তর কেন পর্যালোচনায় নেয়া জরুরী, বিশেষ করে আজকের দুনিয়ার, ‘ওয়ার অন টেরর’ কালের পরিচয়বাদী এবং পরিচয়ফ্যাসিবাদী রাজনীতি এবং দ্বীন-ধর্ম বুঝের সয়লাব কালে?
Animal Sacrifice in Antiquity. Gunnel Ekroth. [In ‘The Oxford Handbook of Animals in Classical Thought and Life’. Edited by Gordon Lindsay Campbell. 2014]
২/ ২/ক. কোরবানিঃ নিকট-প্রাচ্য ও মধ্যপ্রাচ্য , প্রাচীনকাল
প্রবন্ধ সংকলন
Ritual and sacrifice in the ancient Near East. [ Proceedings of the international conference organized by the Katholieke Universiteit Leuven from the 17th to the 20th of April 1991। Jan QUAEGEBEUR (editor)]
ইবনে আশুর সেন্টারের পরিচালক ড. সোহাইব সাঈদ একটি ইউটিউব ভিডিওতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence / AI) এবং কুরআনের তাফসিরের সংযোগস্থল নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে ডিজিটাল মডেলিংয়ের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পাণ্ডিত্যপূর্ণ মতামতের সারসংক্ষেপ করা, ধ্রুপদী গ্রন্থ অনুবাদ করা এবং এমনকি ঐতিহাসিক পণ্ডিতদের মতো 'চিন্তা' করা সম্ভব। মূল বিষয়বস্তু: ভূমিকা এবং শিক্ষাগত পটভূমি […]
Dr. Sohaib Saeed, director of the Ibn ʿAshur Centre, discussed in an YouTube Video the intersection of Artificial Intelligence and Quranic exegesis (Tafsir). He explores how AI can be used to summarize scholarly positions, translate classical texts, and even "think" like historical scholars through digital modeling. Key Takeaways: Highlight Introduction and Academic Background The session […]
কোরআনের বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক অলৌকিকতা: গাজী রাকায়েতের ইসলামে ফেরার কাহিনী কোরআনের ভুল খুঁজতে গিয়ে কেন কাঁদলেন ২৮টি জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক? ভাবুন তো, একজন মানুষ পবিত্র কোরআনের বৈজ্ঞানিক ভুল (Scientific error) ধরার জন্য পড়া শুরু করলেন, কিন্তু শেষমেশ এর গাণিতিক নিখুঁত গাঁথুনি আর বৈজ্ঞানিক নিদর্শন দেখে নিজেই বিস্মিত হয়ে গেলেন! হ্যাঁ, ঠিক এমন একটি অবিশ্বাস্য ঘটনার […]
ইতিহাসের পাতা উল্টালে সপ্তম শতাব্দীতে আরবের বুকে ইসলামের উত্থানকে একটি বিস্ময়কর বাঁক হিসেবেই দেখতে হয়। ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় আলোচনায় বা প্রথাগত ইতিহাসে ইসলামকে সাধারণত এমন একটি ঐশ্বরিক ঘটনা হিসেবে তুলে ধরা হয়, যার সাথে সমসাময়িক বা পূর্ববর্তী সমাজ-সংস্কৃতির যেন কোনো যোগসূত্রই ছিল না। কিন্তু আধুনিক ইতিহাসবিদ ও গবেষকরা এখন ভিন্ন কথা বলছেন। তাদের মতে, ইসলামকে নিখুঁতভাবে […]
১. প্রাক-ইসলামি আরবের ঐতিহাসিক ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে আরব উপদ্বীপের সামগ্রিক অবস্থাকে ঐতিহাসিকভাবে 'জাহিলিয়্যাত' বা অন্ধকারের যুগ হিসেবে অভিহিত করা হয়। তবে একাডেমিক দৃষ্টিকোণ থেকে 'জাহিলিয়্যাত' শব্দটি নিছক অক্ষরজ্ঞানহীনতা বা শিক্ষার অভাবকে নির্দেশ করে না; বরং এটি মূলত একটি নৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং আধ্যাত্মিক শূন্যতার সমার্থক, যেখানে ঐশী জ্ঞান ও যৌক্তিকতার বদলে কুসংস্কার, গোঁড়ামি […]
ভূমিকা ইসলামিক জ্ঞানচর্চায় কুরআনকে সাধারণত আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় নির্দেশনার গ্রন্থ হিসেবে দেখা হয়। তবে মুসলিম আধুনিক চিন্তাবিদরা, বিশেষ করে টিউনিশিয়ান তাফসিরবিদ মুহাম্মাদ আল-তাহির ইবনে আশুর (Muhammad al-Tahir ibn Ashur), কুরআনকে শুধু আধ্যাত্মিক নৈতিকতা প্রদানের বই নয়, বরং একটি সভ্যতা নির্মাণের পরিকল্পনামূলক নীতি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর তাফসির Tahrir wa al-Tanwir এই দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। […]
পটভূমি সাম্প্রতিক সময়ে ইজরায়েল ও আমেরিকা পরিচালিত ইরানের উপরে ২৮ ফেব্রুয়ারীর যৌথ আক্রমন আমাদের সূরা বাকারার ২:১১ নাম্বার আয়াতকে পুন:পাঠ করতে অনুপ্রাণিত করে। ওয়া = আর। ইযা কীলা = যখন বলা হয়। লাহুম = তাদের উদ্দেশ্যে। লা তুফসিদু = তোমরা ফাসাদ/ বিপর্যয় সৃষ্টি/ অশান্তি সৃষ্টি করো না। ফিল আরদি = পৃথিবীতে। ক্বলূ = তারা বলে। […]
ভূমিকা ইবনে আশুর (১৮৭৯–১৯৭৩) ছিলেন টিউনিশিয়ার একজন বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ। তিনি কুরআনের আধুনিক ও প্রায় সমন্বিত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন তাহরির ওয়া আল-তানভীর (Tahrir wa al-Tanwir)–এ। প্রচলিত তাফসিরগুলো সাধারণত কেবল আইন (ফিকহ) বা ভাষাগত ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ইবনে আশুর দেখিয়েছেন কুরআন শুধু আধ্যাত্মিক নির্দেশনার বই নয়, বরং এটি একটি সভ্যতা গড়ার নীতি গ্রন্থ। তার […]